লেখিকা : অজানা বালিকা
অবনী মন প্রান উজার করে ভালবাসে অনিককে। সবসময় খেয়াল রাখে কোথাও কোন ভুল যেন না হয় তার। আল্লাহর কাছে সব সময় দোয়া করে কোন কিছুর বিনিময়ে অনিক কে যেন হারাতে না হয়। অনিক যে অবনীকে ভালবাসেনা ঠিক তা না। তবে সবসময় অনিকের মাঝে অবনী দেখতে পায় অবহেলার ছাপ। কখনো কিছুই বলেনি সে অনিক কে…
আজ অবনীর ১৮তম জন্ম বার্ষিকী যাচ্ছে। সবার শুভেচ্ছা অবনী পেলো কিন্তু দেখা নেই যার অপেক্ষায় সে ছিল। সকাল গড়িয়ে বিকাল, বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা পেরিয়ে হয়ে এলো রাত। কিন্তু অনিকের দেখা মিললো না কিছুতেই।
পরদিন সকালে নিজেই কল দিলো অনিক কে। অনেক বার রিং হবার পর ওপাশ থেকে হ্যালো বললো। অবনী কিছু বলতে পারল না। শুধু বললো, কেমন আছো? অনিক কোনো উত্তর না দিয়েই বলে বসলো অবনী আমাকে তুমি পরে কল দিও, সারারাত এক বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে ছিলাম। অবনী কিছু বলার আগেই ওপাশ থেকে লাইন কেটে দিলো।
অবনী জানে না এই অবস্থায় ওর কি করা উচিত। কি করলে ও অনিক কে নিজের করে নিতে পারবে। মাঝে মাঝে ভাবে হয়তো অনিকের কোথাও নতুন সম্পর্ক হয়েছে। কিন্তু অনিক যদি তাকে কিছুই না বলে তো কি করে বুঝবে কোথায় তার কমতি আছে অনিকের জন্যে। অবনীর শুধু মনে পরে সেই অনিককে…যে অবনীর ভালোবাসা পাবার জন্যে সারাটি রাত ওদের বাসার নিচে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজে ছিল বৃষ্টিতে!!
আজ কোথায় সেই অনিক? অবনীর খুব কান্না পাচ্ছে। কিন্তু ও কাঁদতে পারছে না। কারন কাঁদতে হলে তার একটি কাঁধের দরকার। যে কাধেঁ অবনি একটু স্বস্তির কান্না কাঁদতে পারবে। আজ ওর এই স্বল্প ইচ্ছাটুকু পূরণ করার কেও নেই। অবনীর পাশে আজ কেও নেই তাকে শান্তনা দেবার…
এখন অবনীর কি করা উচিত ও নিজেই জানে না। দয়া করে আপনারা জানাবেন কি, কি করলে অবনি ফিরে পাবে অনিককে অথবা ফিরে পাবে তার হারানো শান্তিটুকু? আজ আপনাদের সাহায্য আর মতামত অবনীর অনেক দরকার………
Filed under: অজানা বালিকার খাতা, ছোট গল্প। | Tagged: অজানা বালিকা, কষ্ট, ছোট গল্প, প্রেম, বন্ধু



ধন্যবাদ নীল আপনাকে, আপনার মন্তব্যের জন্যে।
আপনার কথাগুলি অবনীর কাজে লাগবে।
তবে কিছু দিন আগে আমার দেখা হয়েছিল অবনীর সাথে। তার অবস্থার কথা
আপনাদের জানানো দরকার। কিছু ঝামেলায় আছি। ঝামেলা মুক্ত হলেই লিখে ফেলব। সে পর্যন্ত
ভাল থাকবেন।
অপেক্ষায় থাকলাম
কবে জানবো তার কথা…..
মানুষের এক আশ্চর্য ক্ষমতা আছে আর তা হোল ‘মানুষ ভুলে যেতে পারে’ ভুলই মানুষকে অনেক না পাবার ব্যাথার উপরে প্রলেপ ছড়িয়ে দেয়। তবে একথাও স্বীকার করি সব কিছু ভুলা যায় না তবুও অনেক কিছুই ভুলে থাকার অভিনয় করে যেতে হয়।
এক্ষেত্রে অবনী ভুলতে না পারলেও তাকে ভুলে থাকার অভিনয় করেই যেতে হবে, হয়তো এক সময় তার স্মৃতির আঙ্গীনায় ভুলের প্রলেপ ছড়িয়ে যেতেও পারে আর আমাদের তাই চাওয়া ছারা আর কিই বা করার আছে?
ভালো লেগেছে বলে ছোট টাইপের কারনে অনেক কষ্ট করে হলেও সব টুকুই পরলাম।
ভাব, লেখার ধরন, গতি ও ভাষা চমতকার, আশা করি কলম থেমে যাবে না।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে। আপনার এই কথাগুলো অবনীর অনেক কাজে লাগবে।
অনিককে না পেয়ে হয়তো অবনী অনেক কষ্ট পাবে কিন্তু আপনাদের মত ভাই আর বন্ধু পেয়ে
অনেক খুশিও হবে। আবারো অনেক ধন্যবাদ আর আপনার জন্যে রইল শুভ কামনা সবসময়।
অজানা, ধন্যবাদ আপনাকে। অনেকদিন দেরি হয়ে গেলো। পরীক্ষার ব্যস্ততায় সময় করে উঠতে পারিনি…। আপনার পড়ার অভ্যাস থাকলে আমার ব্লগটাতে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন। যদিও ইদানিং লিখতে পারিনি। দু’মাস ধরে পরীক্ষা দিলাম, আজ শেষ হলো।
আপনাকেও অনেক শুভকামনা।
http://mahmudfaisal.wordpress.com/
মাহমুদ ভাই, অনেক ধন্যবাদ ভুলটি ধরিয়ে দেয়ার জন্যে।
কিন্তু ভাইয়া অবনীর কি সত্যিই কিছু করার নাই? আর ফিয়িয়ে আনার রাস্তাতো আপনারা
দেখাবেন অবনীকে। ধন্যবাদ
আসলে ভালোবাসা কখনই জোর করে পাওয়া যায় না। এইটা স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপার।
একদিন কোথায় যেন শুনেছিলাম,
তুমি যাকে ভালোবাসো, তাকে বিয়ে করিও না
বরং তাকেই বিয়ে করো, যে তোমাকে ভালোবাসে……
যে আমার ভালোবাসার মর্ম বুঝলোনা, তার পিছনে অযথা ছুটে চলে কীইবা লাভ? যে চলে গেছে, তাকে যেতে দিন…… যদি ফিরে আসে, তাহলে বোঝা যাবে সে আপনারই ছিলো… না ফিরে আসলে বোঝা যাবে, সে কোনদিনই আপনার ছিলনা……
অনেক বকে ফেললাম। কিছু মনে করবেন না
আরে মাহমুদ ভাই, উপরের লেখাটির লেখক তো আমি নই। বানান টা আমি ঠিক করে দিয়েছি।
ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই লেখাটি পড়ে মন্তব্যের জন্য।
অজানা বালিকার লেখাটি কিন্তু দারুন হয়েছে:)
বার্ষীকি–> বার্ষিকী
হিমেল ভাই, অবনীর কিছু করার নাই… যা চলে গেছে, সে কীভাবে ফিরে আসবে?