Skip to content

উবুন্টুতে ASCII আর্ট ।

ডিসেম্বর 24, 2010

ASCII আর্টের সাথে কম বেশী আমরা সবাই পরিচিত। ফেসবুকে অথবা বিভিন্ন সাইটে আমরা এসব আর্ট দেখে থাকি। আমরা যারা লিনাক্স ব্যবহার করি খুব সহজেই আমরা এইসব ASCII আর্ট।

উবুন্টুতে টারমিনাল ব্যবহার করে সহজেই ASCII আর্ট করা যায়। ASCII আর্ট করার জন্য প্রথমে টারমিনাল খুলে লিখতে হবে : sudo apt-get install figlet
তারপর টারমিনালে figlet লিখে স্পেস দিয়ে যে কোন শব্দ লিখুন তাহলেই দেখবেন সেই শব্দটি ASCII আর্ট হয়ে গেছে।
যেমন : figlet UBUNTU, figlet BANGLADESH ইত্যাদি।

নিচের স্ক্রিনশটি দেখুন।
উবুন্টুতে ASCII

Advertisements

জানিনা আমার কি হয়েছে, কোথায় যাচ্ছি আমি, কোথায় গন্তব্য আমার…?

নভেম্বর 25, 2010

ইদানিং নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হয়। বিরক্তির লাগে পড়ন্ত বিকেলও, কোন কিছুতেই মন বসাতে পারিনা।
ফেলা আসা দিন গুলি আমাকে বার বার পিছু টানে। প্রতিটি সময় আমাকে প্রশ্ন বিদ্ধ করে আমি কোথায় যাচ্ছি, কি সব বকে বেড়াচ্ছি। কি সব উল্টা পাল্টা ভাবনা আমাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। বই পড়া, গান শোনা, বিকালে ঘুরতে বের হওয়া কিছুই যেন ভাল লাগে না। সারা দিন কাজ করে সন্ধায় ক্লাস বড় অসহ্য লাগে। ক্লাস শেষে ক্লান্ত শরীরে আর বাসায় ফিরতে ইচ্ছে করে না।

কিছুদিন আগেও তো আমার পাগল প্রলাপ গুলি একত্র করে ব্লগে পোস্ট করতে পারতাম। এখন শত চেষ্ট করলেও তা করতে পারিনা। এখন আর লিখা হয়না কোন কবিতা, বসা হয়না শব্দের গুচ্ছ মিলাতে। ঘন্টার পর ঘন্টা পিসিতে বসে থাকতে ভাল লাগে না। সত্যিই আমি বুঝতে পারছি না কি হয়েছে আমার ???

জানিনা আমার কি হয়েছে, কোথায় যাচ্ছি আমি, কোথায় গন্তব্য আমার…?

সবার কাছে দোয়ার দরখস্ত রইল, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। প্লিজ।

উবুন্টু ১০.১০: ম্যাভেরিক মির্ক্যাটের কাউন্টডাউন ব্যানার।

সেপ্টেম্বর 17, 2010

আমাদের অনেকেরই জানা আছে উবুন্টু প্রতি ছয় মাসে নতুন একটি ভার্সন বের করে থাকে। আগামী ১০ অক্টোবর বের হবে উবুন্টু ১০.১০ ভার্সন যার নামকরণ করা হয়েছে ম্যাভেরিক মির্ক্যাট। এ ভার্সন রিলিজের বাকী আর মাত্র ২৩ দিন। উবুন্টুর প্রতিটি নতুন ভার্সনেই থাকে নতুন কোন চমক।
আশা করছি এবারের নতুন ভার্সনেও তার বিপরীত হবে না।

নতুন এই ভার্সনের কাউন্টডাউন ব্যানার পাওয়া যাচ্ছে উবুন্টুর সাইটে।
এখান থেকে কোডটি কপি করে আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে এড করে দিন।

অভ্র কিবোর্ডে নতুন ভার্সন ৪.৫.৩ তে লিখুন ইউনিবিজয় লেআউটে।

অগাষ্ট 25, 2010

avro

আমরা অনেকেই জানি গত গত ২১শে আগস্ট ২০১০ অভ্র কিবোর্ড ভার্সন ৪.৫.৩ রিলিজ হয়েছে। নতুন ভার্সনে ইউনিবিজয় কিবোর্ড লেআউট টি বাদ দেয়া হয়েছে।
অভ্র কে অনেক ভালবাসি, অভ্রের কারণের আজ অনলাইনে বাংলা ভাষার এতো জনপ্রিয়তা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমরা যারা ইউনিবিজয় লেআউটে লিখতাম তাদের জন্য। আমরা তো নতুন ভার্সনটি ডাউনলোড করার পর ইউনিবিজয় লেআউটে লিখতে পারবো না।

আমাদের উচিত হবে পুরাতন ভার্সন ই ব্যবহার করা। আর যদি কেউ নতুন ভার্সন ব্যবহার করে ইউনিবিজয় লেআউটে লিখতে চান তবে। পুরাতন ভার্সন থেকে ইউনিবিজয় লেআউটটি কপি করে নতুন ভার্সনে পেস্ট করে দিন।

ফাইলটি পাবেন এখানে ‍: Computer > Local Disk (C:) > Program files > Avro Keybord > Keybord Layouts > UniBijoy.avrolayout.

যারা নতুন ভার্সন ডাউনলোড করেছেন পুরাতন ভার্সনের ইউনিবিজয় লেআউটের ফাইল দরকার তারা ডাউনলোড করুন এখান থাকে

এক ক্লিকে উবুন্টুকে দিন ম্যাকের চেহারা!

অগাষ্ট 21, 2010

উবুন্টুকে ম্যাকের রূপ দিন অতি সহজেই, বলতে পারেন এক ক্লিকেই। আমাদের উবুন্টুকে ম্যাকের চেহারা দিতে পারি Macbuntu 10.04.2 নামাক এই অ্যাপ্লিকেশনটিতে ব্যবহার করে। Macbuntu 10.04.2 ইন্সটলের পর আমার উবুন্টুতে আমরা দেখতে পাবো ম্যাকের Mac Osx Leopard এর চেহারা।
Macbuntu 10.04.2 শুধু আমাদের থীমই পরিবর্তন করবে না, পরিবতর্ন আসবে ফন্ট, আইকন, প্যানেল, ব্রাউজার থীম, ওয়ালপেপার ও কমপিজেও ।

তাহলে আসুন দেখে নেই কিভাবে Macbuntu 10.04.2 অ্যাপ্লিকেশনটিতে আমাদের পিসিতে ডাউনলোড করবো।

  • ডাউনলোড করুন Macbuntu 10.04.2 tar.gz প্যাকেজটি।
  • এখন ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন।
  • এক্সট্রাক্ট করা ফোল্ডারে install.sh নামে একটি ফাইল দেখতে পাবেন, ফাইটিকে ডবল ক্লিক করে Run in Terminal অপশনটি সিলেক্ট করুন।
  • ব্যাস, আপনার কাজ শেষ বলতে পারেন, Terminal এ কাজ চলছে, কিছুক্ষণেই মধ্যেই দেখতে পাবেন আপনার উবন্টুর পরিবর্তিত ম্যাকের চেহারা।
  • এই দুর পরবাসে…

    জুলাই 6, 2010

    গান নিয়ে পোস্ট লিখা বড়ই কঠিন কাজ আর তা যদি হয় আমাকে দ্বারা তবে আরো কঠিন থেকে কঠিনতর হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে কয়েকদিন যাবত একটু একা একা থাকলেই যে গানটি শুনতে ইচ্ছে করে তা এমন একটি গান, যে গানের কথায় খুঁজে পায় জীবনের মিল, যে গানে ভেসে উঠে আমার মতো হাজারো প্রবাসীর ফেলা আসা দিনের কথা মনে করিয়ে দেয়।
    তাই সবার সাথে শেয়ার করছি আর্কের এই দুর পরবাসে গানটি ।

    শুনুন তাহলে গানটি।

    গানের কথা

    এই দুর পরবাসে তারা গুনে আকাশে-আকাশে
    কাঁটে নিঃসঙ্গ রাত্রি গুলো
    মাঝে-মাঝে স্বপ্নের বেশে স্মৃতিরা এসে,
    আমাকে করে যায়, বড় বেশি এলোমেলো।

    মনে পড়ে যায় বন্ধুদের আড্ডা মুখর প্রহর…
    তুমুল উল্লাসে ভরা প্রিয় শহর,
    সেখানে হয়ত সবাই, ব্যস্ত মেলেনা সময়।
    তবুও সেখানেই ফিরে যেতে চায় ফেরারী হৃদয়
    এই একাকী জীবন ভালো লাগেনা আমার,
    বিষণ্ন দিনের শেষে, বিষণ্ন রাতের শেষে…

    মনে পড়ে যায় কখনো, পুরনো তোমাকে
    প্রতিটি কষ্ট মাখা দিনের ফাঁকে।
    হয়ত বদলে গেছো, হয়ে গেছো অচেনা তুমি,
    তবুও তোমাকেই ফিরে পেতে চাই দুরের আমি।

    এই একাকী জীবন ভাল লাগেনা আমার
    বিষণ্ন দিনের শেষে, বিষণ্ন রাতের শেষে….

    গানটির বাংলা লিরিক নিয়েছি এখান থেকে।

    গানটি ডাউনলোড করতে চাইলে এখান থেকে।

    আজ ছাত্র হিসেবে ইতালীতে বসবাসের অনুমতি পেলাম ।

    জুন 21, 2010

    আজ একটু ভিন্ন রকম ব্লগ লেখা, টাইটেল দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইতালীতে এসেছি প্রায় চার বছর আগামী সেপ্টম্বরের ১৭ তারিখে পুরাপুরি চার বছর হবে। আম্মু আমি ও ছোট দুই ভাই ফ্যামিলী ভিসা মানে family reunification ইতালীয়ান ভাষায় যাকে ricongiungimento familiare বলে সে হিসেবে ইতালীতে আসি।

    আব্বু এখানে ছিল আমাদের আসার ও প্রায় ৬ বছর আগে থেকে। আসার পরপর ই আমরা প্রথমে দুবছরের স্ট্যে পারমিট বা অবস্থানের অনুমতি পাই। ডকুমেন্টে যখন আমার বয়স ১৫ চলছিল, দুবছর পার হবার পর আবার পেরমেচ্ছ দি সোজর্ণ নবায়নের জন্য দিয়েছিলাম তখন আমার পেরমেচ্ছ দি সোজর্ণ নবায়ন করা হতো আব্বুর ডকুমেন্ট দিয়ে। এখানে আসার পর তিনটি বছর ভালই চলেছে, পেরমেচ্ছ দি সোজর্ণ নবায়নের জন্য আমার কোন কিছুর চিন্তা করতে হয়নি। সমস্যায় পরলাম গত ডিসেম্বরের পরে যখন আমার বয়স ১৮ পার হলো।

    এখন আমাকে আমার কাজ করে সেই কাজের ডকুমেন্টস দিয়ে পেরমেচ্ছ দি সোজর্ণ নবায়ন করতে হবে। আমি ইতালীতে আসার পরপর দারুন একটি কাজ পাই আর তা হচ্ছে আব্বু ছোট্ট একটি প্রতিষ্ঠানের কিছু টাইম দেওয়া পাশাপাশি পড়াশুনাও চালিয়ে যাওয়া। আমি যে আব্বুর প্রতিষ্ঠানে কাজ করি তাতে আমার কোন বেতন ও দেওয়া হয়নি আর আমার কাজের জন্য আলাদা কোন ডুকুমেন্টস ও করা হয়নি।

    আমার বসয় ১৮ হবার পর আমি একদিন পুলিশ অফিসে যায় আমার পেরমেচ্ছ দি সোজর্ণ নবায়নের তথ্য জানার জন্য। গত দিন বছরে বিভিন্ন কারনে থানা বা পুলিশ অফিসে যাতায়াত করতে হয় সেই সুবাদে দুজন পুলিশের সাথে ভাল পরিচয় হয়। তাদের একজন আমাকে পরামর্শ দিল যে আমি তো এখানে পড়াশুনা করছি তাহলে আমি ছাত্র হিসেবে পেরমেচ্ছ দি সোজর্ণ নবায়ন করতে পারি। তার পরামর্শ অনুযায়ী পাসপোর্টের ফটোকপি ও আমার কলেজ থেকে উপস্থিতি সার্টিফিকেট তুলে পোষ্ট অফিস থেকে ফরম তুলে তিন মাস আগে নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলাম গত মাসে একবার ডেকেছিল ভিঙ্গার স্ক্যনিং এর জন্য আজ হাতে পেলাম নিচের ছবির মতো একটি কার্ড।

    যা আমি আগেও পেয়েছিলাম কিন্তু সেখানে পেরমেচ্ছ দি সোজর্ণ দেবার কারনের জায়গায় লিখা ছিল আমি ফ্যামিলির সাথে আছি তাই আর আজ যেটা উঠালাম তাতে লেখা আমি ছাত্র।